https://ift.tt/PcNX0hk
সামুদ্রিক মাছের প্রজনন রক্ষায় দেশের সমুদ্রসীমায় চলমান ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞায় নোয়াখালীর হাতিয়ার লক্ষাধিক জেলে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। মাছ ধরা বন্ধ থাকায় আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে অনেক পরিবার মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে।
গত ১৫ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এ নিষেধাজ্ঞা চলবে আগামী ১১ জুন পর্যন্ত। এ সময়ে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা, পরিবহন ও বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে সরকার। তবে জেলেদের অভিযোগ, নিষিদ্ধ এলাকার সুনির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ না থাকায় তারা প্রায়ই হয়রানির শিকার হন।
নলচিরার জেলে আব্দুর রব মাঝি বলেছেন, মাছ ধরতে না পারায় সংসার চালানো কষ্ট হয়ে পড়েছে। বেশিরভাগ ছেলে ধার-দেনা করে চলতে হচ্ছে। বছরের বেশির ভাগ সময়ই কোনো না কোনো নিষেধাজ্ঞা থাকে। অল্প সময়ে মাছ ধরে সংসার চালানো সম্ভব হয় না। অনেকেই ঋণের বোঝায় জর্জরিত।
স্থানীয় মৎস্য অফিস সূত্র জানায়, হাতিয়ার প্রায় ২০টি ঘাটে এক লাখের বেশি জেলে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। এর মধ্যে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা মাত্র ২৪ হাজার ২০ জন। এবার ৭৭ কেজি করে চাল সহায়তা দেওয়া হবে ৪ হাজার ৮৭৩টি পরিবারকে।
হাতিয়ার নতুন সুইজ ঘাটে শতাধিক ট্রলার অলস পড়ে থাকতে দেখা গেছে। প্রতিদিন জেলেরা ঘাটে এসে সময় কাটিয়ে ফিরে যাচ্ছেন।
ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি রাশেদ উদ্দিন বলেছেন, সরকারি সহায়তার পরিমাণ খুবই কম। প্রায় এক লাখ জেলের মধ্যে মাত্র ২৪ হাজার ২০ জন নিবন্ধনের আওতায় এসেছেন। বাকি জেলেরাও যাতে সহায়তা পান, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
হাতিয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ফয়জুর রহমান জানিয়েছেন, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রকৃত জেলেদের তালিকা পেলেই চাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হবে। তালিকা প্রস্তুতের কাজ শেষ হলেই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জেলেদের কাছে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। বিষয়টি জানানো হয়েছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে।
আমার বাঙলা/আরএ
হাতিয়ায় ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞায় কর্মহীন জেলেরা
Tags
# Amarbangla Feed
# IFTTT
Share This
About News Desk
IFTTT
Tags:
Amarbangla Feed,
IFTTT
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
লেখক-এর বিবরণ
আসসালামু আলাইকুম।
আমরা আপনাদের মাঝে নিয়ে এসেছি সকল চাকরি, সরকারি নোটিশ, লেখাপড়ার খবর, প্রশ্নপত্র এবং অন্যান্য খবর সবার আগে পেতে আমাদের আমাদের সাথে থাকুন।ধন্যবাদ।
No comments:
Post a Comment