“ভোট দিয়েছেন বা দেননি সবার জন্যই কাজ করব”; এম নাসের রহমান - সবার জন্য শিক্ষা, লেখাপড়া বিষয়ক বাংলাদেশের প্রথম ব্লগ সাইট।

সাম্প্রতিক

“ভোট দিয়েছেন বা দেননি সবার জন্যই কাজ করব”; এম নাসের রহমান

false
শপথ নেওয়ার পর মৌলভীবাজারে এসে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হলেন মৌলভীবাজার–৩ আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান। মঙ্গলবার (২৪শে ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা থেকে সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়ক হয়ে সদর উপজেলার গিয়াসনগর বাজারে প্রবেশ করলে জেলা, উপজেলা, পৌর বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করেন। গণসংবর্ধনা ও শোভাযাত্রা: দুপুর থেকেই গিয়াসনগর এলাকায় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো ছিল। জেলা বিএনপি'র আহ্বায়ক মো. ফয়জুল করিম ময়ূন, সিনিয়র সদস্য আলহাজ্ব মো. আব্দুল মুকিত,মৌলভী আব্দুল ওয়ালী সিদ্দিকী, মোশাররফ হোসেন বাদশা, আশিক মোশাররফ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান,জেলা বিএনপি'র সদস্য মিসবাহ উর রহমান,মো. ফখরুল ইসলাম,মো. হেলু মিয়া, মতিন বকস,শ্যামলী সূত্রধর,মাহমুদুর রহমান, এড বকসী যুবায়ের,সেলিম সালাউদ্দিন,স্বাগত কিশোর দাশ চৌধুরী,মো. বদরুল আলম, আয়াছ আহমেদ,এম ইদ্রিস আলী,সদর উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি মুজিবুর রহমান মজনু, সাধারণ সম্পাদক মো. মারুফ আহমেদ,সিনিয়র সহ-সভাপতি সাদিকুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সফিউর রহমান,সাংগঠনিক সম্পাদক কাজল মাহমুদ,পৌর বিএনপি'র সিনিয়র সহ-সভাপতি সারওয়ার মজুমদার ইমন,সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার আহমদ রহমান,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন কামাল,সাংগঠনিক সম্পাদক রেজা করিম,জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এম এ মোহিত,জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আহমেদ আহাদ,জেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক শামীম আহমেদ,সদস্য সচিব মোনাহিম কবীর,জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. রুবেল মিয়া,সাধারণ সম্পাদক আকিদুর রহমান সোহান,ছাত্র নেতা জনি আহমেদ,জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী ডা. দিলশাদ পারভীন,সাংগঠনিক সম্পাদক সুফিয়া সুলেমান কলিসহ জেলা,সদর,পৌর,যুবদল, ছাত্রদল,স্বেচ্ছাসেবক দল,মহিলা দল এবং অঙ্গসংগঠনের অসংখ্য নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণের পর এম নাসের রহমান একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে জেলা শহর প্রদক্ষিণ করেন। পাজারো জিপে দাঁড়িয়ে তিনি হাত নেড়ে সর্বস্তরের জনতার শুভেচ্ছার জবাব দেন। সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষও হাত নাড়িয়ে অভিনন্দন জানান। সাইফুর রহমানের কবর জিয়ারত: শহর প্রদক্ষিণ শেষে নিজ বাড়ি বাহারমর্দানে পৌঁছে সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী মরহুম এম সাইফুর রহমান-এর কবর জিয়ারত করেন এম নাসের রহমান। এতে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি'র সিনিয়র নেতৃবৃন্দ। জিয়ারত শেষে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ ফুলের তোড়া দিয়ে এম নাসের রহমানকে বরণ করেন। এর পর স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এম নাসের রহমান বলেন; "বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে নির্বাচনের আগে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, এগুলি অলরেডি পাইলট প্রজেক্টের মাধ্যমে শুরু হয়ে গেছে। বিশেষ করে ফ্যামেলী কার্ড, কৃষক কার্ড, আর খাল খনন কর্মসুচী সহ যেসব উল্লেখযোগ্য প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। খাল খনন কর্মসূচীও সারা বাংলাদেশে শুরু হয়েছে। আমাদের মৌলভীবাজারেও খাল খনন কর্মসুচী শুরু হবে। সেই সাথে আমরা ভৌত অবকাঠামোর রাস্তা-ঘাট, ব্রিজের কাজ শুরু করবো। আপনারা দেখছেন বিএনপি সরকার ক্ষমতায় বসার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাথে সাথেই এই যে কৃষক কার্ড আর ফ্যামেলী কার্ড, এটার পাইলট প্রজেক্ট বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছেন। এবং পর্যায়ক্রমে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে অনেক থানায় এবং ওয়ার্ডে শুরু হবে। এসব কর্মসূচি থেকে মৌলভীবাজার-রাজনগর ও সারা মৌলভীবাজার জেলায় বাদ পড়বে না। এসব কর্মকান্ড দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কমিটি গঠন করে দিয়েছেন। খাল খননের জন্য বাছাই করে প্রকল্প নেওয়া হবে, যাতে কৃষি উৎপাদনে সহায়ক হয়। তাছাড়া আমি গ্রামীণ অবকাঠামো, রাস্তা-ঘাটের সংস্কারে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। এবং সেই সাথে বিশুদ্ধ সুপেয় পানির ব্যবস্থার জন্য গ্রামে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনে কাজ করবো। সংসদ আগামী ১২ই মার্চ প্রথম অধিবেশন বসবে। মোটামুটি ঈদের পরেই সব কার্যক্রম চালু করতে পারব বলে আশা করছি। আমাকে যারা ভোট দিয়েছেন এবং যারা দেননি—ইনশাআল্লাহ তাদের জন্যও আমি কাজ করবো। আগামীতে ইউনিয়ন, উপজেলা,পৌর নির্বাচন পর্যায়ক্রমে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। মসজিদের ইমাম, মোয়াজ্জিন ও পুরোহিতের সম্মানী ভাতা দেয়ার কাজ শুরু হয়েছে। আগামী জুনে বাজেটের পরে জুলাই মাস থেকে ইনশাআল্লাহ রাস্তা-ঘাটের কাজ শুরু হয়ে যাবে।" প্রত্যাশা বনাম বাস্তবতা; মৌলভীবাজারের গ্রামীণ জনপদে দীর্ঘদিন ধরে খাল ভরাট, জলাবদ্ধতা, সড়কের বেহাল অবস্থা ও পানির সংকটের অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়রা মনে করছেন,খাল খনন ও অবকাঠামো সংস্কার কার্যক্রম সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। তবে বাজেট বরাদ্দ, প্রশাসনিক সমন্বয় এবং প্রকল্পের গতি—এই তিনটি বিষয় এখন চ্যালেঞ্জ। শপথের পর প্রথম সফর উচ্ছ্বাসমুখর হলেও স্থানীয়দের নজর এখন বাস্তব উন্নয়ন কার্যক্রমের দিকে। প্রতিশ্রুতি থেকে প্রকল্প, আর প্রকল্প থেকে বাস্তব পরিবর্তন—মৌলভীবাজারবাসীর প্রত্যাশা এই পথেই এগিয়ে চলবে। আমার বাঙলা/আরএ

No comments:

Post a Comment