খোয়ালেন ৮ লাখ টাকা, ফিরে পেতে প্রশাসনের দ্বারস্থ - সবার জন্য শিক্ষা, লেখাপড়া বিষয়ক বাংলাদেশের প্রথম ব্লগ সাইট।

সাম্প্রতিক

খোয়ালেন ৮ লাখ টাকা, ফিরে পেতে প্রশাসনের দ্বারস্থ

https://ift.tt/VaHwm19
ব্যবসায়িক কার্যক্রমে অধিক মুনাফার লোভে রাজধানীতে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কাজ করা এক তরুণ ফ্রিল্যান্সার প্রতারণার শিকার হয়ে প্রায় ৮ লাখ টাকা খুইয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার আবেদন করেছেন। GD Tracking No.: NE9F35 , GD No.: 234 । ভুক্তভোগী সুজাত মিয়া বয়সে তরুণ, নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলার ফতেপুর গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি ঢাকার নিউ এলিফ্যান্ট রোড এলাকার একটি বাসায় ভাড়া থাকেন এবং ফ্রিল্যান্সিং পেশায় নিয়োজিত। অভিযোগে জানা যায়, সুজাত মিয়া বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ব্লগিং, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন ও ভিডিও এডিটিংয়ের কাজ করে থাকেন। কাজের সূত্র ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার সঙ্গে নিয়মিত বিভিন্ন ক্লায়েন্ট যোগাযোগ করেন। প্রায় নয় মাস আগে তানজিদা রহমান (Tanzida Rehman) নামে একটি টেলিগ্রাম আইডি থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নিজেকে প্রজেক্ট ম্যানেজার পরিচয় দিয়ে ডিজিটাল প্রোডাক্ট অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের কাজের প্রস্তাব দেন। দীর্ঘদিন যোগাযোগ ও বিশ্বাস অর্জনের পর তাকে অ্যাটোমিক মার্কেট-২২৩২ (ATOMIC MARKET 2232) নামে একটি টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত করা হয়। সেখানে বিভিন্ন সদস্যের টাকা জমা ও উত্তোলনের কার্যক্রম দেখিয়ে তাকে বিনিয়োগে উদ্বুদ্ধ করা হয়। প্রথমদিকে অল্প পরিমাণ লাভ দেখিয়ে তার আস্থা অর্জন করে চক্রটি। পরে ধাপে ধাপে বিভিন্ন অজুহাতে তার কাছ থেকে মোট প্রায় ৮ লাখ টাকা আদায় করা হয়। ভুক্তভোগীর দাবি- তিনি নগদ, মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ) এবং ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে ১০ হাজার, ২১ হাজার ৮২৫, ৩০ হাজার, ৯৮ হাজার ২১৮, ২ লাখ ৮৪ হাজার ৭৩৫ এবং ৩ লাখ ২১ হাজার ৫৯৪ টাকা তাদের কাছে বিনিয়োগ করেন। এক পর্যায়ে প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি যোগাযোগের চেষ্টা করলে প্রতারক চক্রটি সুজাত মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এতে তিনি মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন। সুজাত মিয়া আরও জানান, এই টাকা জোগাড় করতে তিনি নিজের সঞ্চয় শেষ করার পাশাপাশি পরিবারের গরু-ছাগল বিক্রি এবং ঋণ গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছেন। বর্তমানে তিনি চরম আর্থিক সংকটে আছেন এবং মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েছেন। তিনি প্রশাসনের কাছে প্রতারকদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তার হারানো অর্থ উদ্ধারের জন্য জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অনলাইন বিনিয়োগ ও অপরিচিত ব্যক্তির প্রলোভনে অর্থ লেনদেনের ক্ষেত্রে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়।

No comments:

Post a Comment