মৌলভীবাজারে ডিবি পরিচয়ে অপহরণ; রাতে মিলল হাত-পা বাঁধা মৃতদেহ - সবার জন্য শিক্ষা, লেখাপড়া বিষয়ক বাংলাদেশের প্রথম ব্লগ সাইট।

সাম্প্রতিক

মৌলভীবাজারে ডিবি পরিচয়ে অপহরণ; রাতে মিলল হাত-পা বাঁধা মৃতদেহ

https://ift.tt/7KGt1m8
রোববার (২৮শে জুন) রাতে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ৪নং আপার কাগাবলা ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে এই লোমহর্ষক ঘটনাটি ঘটে। নিহত আব্দুল মতিন ওই গ্রামের মৃত হাজী আব্দুল মন্নানের ছেলে। ভাইদের সাথে দীর্ঘদিনের জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পারিবারিক সূত্রের বরাতে জানা যায়, রোববার সকাল ১০টার দিকে ভাইদের সাথে চলমান একটি ভূমি সংক্রান্ত বিরোধে মামলার হাজিরা দিতে মৌলভীবাজার আদালতে যান আব্দুল মতিন। আদালতের কাজ শেষে বিকেলে একটি সিএনজি অটোরিকশাযোগে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। নিহতের স্ত্রী জানান, পথিমধ্যে একটি কালো রঙের হাইএস মাইক্রোবাসে আসা কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে আব্দুল মতিনকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। সিএনজি চালক তাৎক্ষণিক বিষয়টি ফোনে পরিবারকে জানালে তারা মৌলভীবাজার মডেল থানায় যোগাযোগ করেন। তবে থানা কর্তৃপক্ষ এ ধরনের আটকের কথা অস্বীকার করে পরিবারটিকে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেয়। নিহতের স্ত্রী জানান, পথিমধ্যে একটি কালো রঙের হাইএস মাইক্রোবাসে আসা কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে আব্দুল মতিনকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। সিএনজি চালক তাৎক্ষণিক বিষয়টি ফোনে পরিবারকে জানালে তারা মৌলভীবাজার মডেল থানায় যোগাযোগ করেন। তবে থানা কর্তৃপক্ষ এ ধরনের আটকের কথা অস্বীকার করে পরিবারটিকে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেয়। নিখোঁজের পর চারদিকে যখন খোঁজাখুঁজি চলছিল, ঠিক তখনই রাত ৯টা থেকে ১০টার দিকে একটি সিএনজি অটোরিকশা আব্দুল মতিনের বাড়ির সামনে এসে থামে। স্থানীয় এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সিএনজি থেকে সন্দেহজনক কিছু একটা ফেলে দ্রুত গাড়িটি চলে যায়। কৌতূহলবশত তিনি এগিয়ে গিয়ে দেখতে পান, হাত-পা বাঁধা অবস্থায় আব্দুল মতিনের মরদেহ পড়ে আছে। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পুলিশে খবর দেয়। নিহতের পরিবার জানায়:—"একটি কালো মাইক্রোবাসে ডিবি পরিচয়ে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছিল। আমরা থানায় যোগাযোগ করলেও কোনো সন্ধান পাইনি। রাতে বাড়ির সামনেই তার লাশ ফেলে যাওয়া হলো।" এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর পুরো দৌলতপুর গ্রাম জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে, সেই সাথে বিরাজ করছে চরম আতঙ্ক। আমার বাঙলা/ রাব্বি

No comments:

Post a Comment